‘তারুণ্যের অধিবেশন ২০২৬’

সমাজ রূপান্তরে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে বিল উত্থাপন

প্রকাশ : 21 Jun 2026
সমাজ রূপান্তরে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে বিল উত্থাপন


ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালীর আদলে তরুণদের অংশগ্রহণে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘তারুণ্যের অধিবেশন ২০২৬’। “সমাজ রূপান্তরে তারুণ্য” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার ২০ জুন আগারগাঁওয়ের জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ আয়োজন করে ছয়টি সংগঠন।


আয়োজক সংগঠন জনউদ্যোগ, ইরেজার, টিনস সেভার, আইইডি, বারসিক এবং সিসিবিভিওর পক্ষে তারিক হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম ও আরিফ খান স্বাগত বক্তব্য দেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তিনটি অধিবেশনে মোট ৮টি বিল উত্থাপিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৬০ জন তরুণ প্রতিনিধি সমাজ পরিবর্তনে যুবসমাজের ভূমিকা, নীতি প্রণয়ন, নাগরিক অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক চর্চার বিভিন্ন বিষয়ে সংসদীয় পদ্ধতিতে বিল উত্থাপন, আলোচনা ও বিতর্ক করেন।


অধিবেশনে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন আজমীর তারেক চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন আতিকুর রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন জাকিয়া তাসনিয়া যুথি। তিনটি বিষয়ভিত্তিক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন সাকিবুল হাসান সাকিব, প্রতিমন্ত্রী মিরা জাহান এবং বিরোধী দলীয় সাংসদ হাবিবুর রহমান। শিক্ষা, আইসিটি, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোছাঃ ইসরাত জাহান রিফা, প্রতিমন্ত্রী মো. মাহিম হোসেন এবং বিরোধী দলীয় সাংসদ রিমি আফরিন জেসিয়া দায়িত্ব পালন করেন। নারী, শিশু, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন আবু নাছির আল রাকিব, প্রতিমন্ত্রী কানিজ ফাতেমা রিতু এবং বিরোধী দলীয় সাংসদ ফাতেমা তুজ জোহুরা। সরকার দলীয় চিফ হুইপ ছিলেন রুদ্র চৌধুরী তূর্য এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ রবিউল হাসান।


অধিবেশনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাস, ডা. মুশতাক হোসেন, শাহ ইসরাত আজমেরী, ইসরাত আরা, হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল, জীবনানন্দ জয়ন্ত, ব্যারিস্টার অনন্যা অর্থী, পাভেল পার্থ, জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় এবং মো. হামিদুজ্জামান। তাঁরা তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং সামাজিক পরিবর্তনে যুবসমাজের কার্যকর ভূমিকা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।


আয়োজকরা বলেন, ‘তারুণ্যের অধিবেশন ২০২৬’ তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, জবাবদিহিতা, নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের তরুণদের সামাজিক রূপান্তর ও ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রযাত্রায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।


সম্পর্কিত খবর

;