ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোন না ধরায় রেলের ২ কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশ : 14 Sep 2026
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোন না ধরায় রেলের ২ কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদল নেতার ফোন না ধরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী তিতাস কমিউটার ট্রেনের ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।


ভুক্তভোগীরা হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্সি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান তাতে সাড়া দিচ্ছে না। সোমবার সকালে যুবদল নেতা সানি বুকিং ক্লার্ক কাউসার হোসেনকে ফোন করে তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে দুটি টিকিট দেওয়ার কথা বলেন।


পরে বুকিং ক্লার্ক কাউসার স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে আসার পথে স্টেশন এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্ল্যাকার টিকিটের জন্য তাকে মারধর ও হেনস্তা করে। এর কিছুক্ষণ পর যুবদল নেতা সানি আবারও বুকিং সহকারীকে বেশ কয়েকবার ফোন দেন। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সানি রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে গিয়ে বুকিং সহকারী ও ম্যানেজারকে চড়-থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ করা হয়।


এ ঘটনার পর কাউন্টারের কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর কাউন্টারের কার্যক্রম ফের শুরু হয়। এতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা টিকিটের জন্য দুর্ভোগে পড়েন।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি মুঠোফোনে বলেন, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের লোকজন অতিরিক্ত দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি স্টেশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, কাউকে মারধর করেননি।


সম্পর্কিত খবর

;